Breaking News
Home > এক্সক্লুসিভ > প্রশ্নঃ- যৌনাঙ্গ ফর্সা করা যায় কিভাবে ? জানতে হলে পড়ুন।

প্রশ্নঃ- যৌনাঙ্গ ফর্সা করা যায় কিভাবে ? জানতে হলে পড়ুন।

প্রশ্নঃ-আমার শরীরের রং হলো ফর্সা। হাত মুখের চাইতে কম ফর্সা, আর অন্যান্য অংশগুলোও ফর্সা। যা দেখতে ভালই লাগে। এতকিছুর মাঝে শুধু আমার গোপন অঙ্গের রঙ অনেকটা কালো। অন্যান্য অংশের মত যৌনাঙ্গ ফর্সা বা সুন্দর করতে পারবো, যা হয়তো বা আমার মনের মানুষের ভাল লাগবে!

উঃ – পৃথিবীর অধিকাংশ নর-নারীর যৌনাঙ্গ ও তার নিকটবর্তী অঞ্চলের রঙ শরীরের বাকি অংশের তুলনায় খানিকটা গাঢ় হয়। এটা একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা। তাই তোমার যৌনাঙ্গের রঙ মুখের তুলনায় কিছুটা কালো মনে হলেও সেটা নিয়ে চিন্তিত হবার কোন কারণ নেই। জেনে রাখ যে যৌনাঙ্গ ফর্সা করার কোন নিরাপদ পদ্ধতি এখওনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। কাজে কাজেই টিভি বা খবরের কাগজে যৌনাঙ্গ ফর্সা করার বিজ্ঞাপন দেখে ওই ধরনের কোন ঔষধ বা ক্রীম কিনবেন না। কারণ তাহলে যে শুধু পয়সা নষ্ট হবে তাই নয়, উল্টে আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ত্বকের রঙ ফর্সা করার ইচ্ছে ও সেই সংক্রান্ত অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এইভাবে বহু টাকা উপার্জন করে। ওই ধরনের মোটা হওয়া, ওজন বাড়ানো, গোপনাঙ্গ বৃদ্ধি,যৌনাঙ্গ ফর্সা ইত্যাদি বিজ্ঞাপন থেকে সাবধান। নিজের যৌনাঙ্গের রঙ নিয়ে একদম লজ্জাবোধ করবেন না। আপনার সত্যিকারের মনের মানুষ কখওনই যৌনাঙ্গ ফর্সা বা কালো রঙ দেখে আপনার সঙ্গ ত্যাগ করবে না। আর যদি সে সত্যিই যৌনাঙ্গ ফর্সা নয় কালো এমন এজন্য কষ্ট পায় তবে তৎক্ষণাৎ সেই মনের মানুষের সঙ্গ আপনার ত্যাগ করা উচিৎ। মনে রাখবেন আপনার মনের মানুষর গায়ের রঙ ফর্সা হলেও তার যৌনাঙ্গ ফর্সা হে এমন নয়। তাই মনে হয় না সে আপনার রঙ নিয়ে কিছু মনে করবে। যৌনাঙ্গ ফর্সা বা সামগ্রিকভাবে ত্বকের রঙ ফর্সা করার ইচ্ছে বস্তুতপক্ষে একটি বিকৃত মানসিকতা যা বিজ্ঞাপনের দৌলতে আমাদের মাথায় গেড়ে বসেছে। ওইসব বিজ্ঞাপন আসলে অসৎ উপায়ে টাকা রোজগারের একটি রাস্তা মাত্র।

বিভিন্ন পর্নোগ্রাফী মুভিতে যৌনাঙ্গ ফর্সা চকচকে নর-নারীর ছবি দেখানো হয়। ওইগুলোর অধিকাংশই কিন্তু মেক-আপের ফসল। কাজেই ওইসব দেখে যৌনাঙ্গ ফর্সা করতে বেশি আগ্রহান্বিত হওয়া একেবারেই অনুচিৎ। যৌনাঙ্গ ও তার নিকটবর্তী অঞ্চল নিয়মিত পরিষ্কার করলে এমনিতেই দেখতে ভাল লাগবে (আপনার ভাল না লাগলেও বিশ্বাস কর আপনার মনের মানুষের অবশ্যই ভাল লাগবে)। তবে ওখানের লোম খুব বেশি কামালে (shaving) কিন্তু ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সব থেকে ভাল হচ্ছে ট্রিমিং করা। যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য সাবান ব্যবহার করা ঠিক নয়। শুধু জল দিয়ে, বা হালকা গরম জল দিয়ে যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করাই সব থেকে ভাল উপায়। প্রয়োজন হলে জলে অল্প লবন মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। যদি খুবই ইচ্ছে করে তবে মাইল্ড সাবান যার pH মান 7 এর কাছাকাছি, ব্যবহার করতে পার। লিঙ্গের অগ্রভাগ (লিঙ্গমুন্ড), মূত্রছিদ্র, যোনি পথ, যোনিদ্বার এবং পায়ু – এইসব অঞ্চলের মিউকাস পর্দা সাবান ব্যবহারের ফলে ড্রাই হয়ে যায়। দীর্ঘদিন এমন হতে থাকলে নানান সমস্যা যেমন চুলকানি, যন্ত্রনা, জীবাণু সংক্রমণ, মলদ্বারের ত্বক ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হতে পারে। উপরন্তু ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের ভারসাম্য সাবান ব্যবহারের ফলে বিঘ্নিত হয়, যার থেকে যৌনাঙ্গে ব্যালানাইটিস, ক্যান্ডিডায়াসিস, ভ্যাজিনাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্যেই উপরে বর্ণিত অঞ্চলে সাবান ব্যবহার না করতে বলা হয়।

তবে যৌনাঙ্গের আশেপাশের অঞ্চলে সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যেন সাবান জল লিঙ্গের অগ্রভাগ, যোনিদ্বার, যোনি বা পায়ুতে না পৌঁছয়। আর সাবান কেনার সময় অবশ্যই দেখে নেবে সেটা যেন মাইল্ড সাবান (pH মান 7) হয়। আর হ্যাঁ, ওই অঞ্চলে পারফিউম, ডিওড্র্যান্ট বা ট্যালকম পাউডার একেবারেই ব্যবহার করবে না। ফর্সা করার জন্য ত্বক কখওনই ব্লীচ করবে না। হার্বাল ক্রিম ও প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপাচার থেকেও সাবধান।
যদি হঠাৎ করে যৌনাঙ্গ ফর্সা বা রঙ পরিবর্তিত হয় তবে সেটা কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষত যদি যৌনাঙ্গ দিয়ে দুর্গন্ধ বের হয়, বা ওখানে চুলকানি বা এলার্জি হয়, ব্যাথা হয়, জ্বালা করে, পুজ বের হয় ইত্যাদি, তবে অতি অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিৎ।
ভালো থাক ও নিজের যৌনাঙ্গকে ভালবাস। ওই যৌনাঙ্গ তোমাকে অনেক সুখ দিতে পারে!

Check Also

জেনে নিন সহবাসের পর এই কাজটি করলে গর্ভবতী হবেন না,

অনিরাপদ যৌন সংসর্গে জড়িয়ে পড়ছে তরুণ-তরুণীরা। সারা বিশ্বেই এই হার দিনকে দিন বাড়ছে। নতুন প্রজন্মের …